Select Page

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বর্তমান বিশ্বের হট টপিক।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি?

Artificial মানে কৃত্তিম।আর Intelligent মানে বুদ্ধিমান। Intelligence যেহেতু Noun তাই বুদ্ধিমত্তা। এটি একটি মেশিন এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। সোজাকথায় প্রানহীন কোন মেশিন বা ডিভাইস যদি কোন কমান্ড ছাড়া সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, কোন সিচুয়েশনে তার কি করা উচিৎ তাকেই Artificial Intelligence বলে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ইতিহাসঃ

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে গবেষণা ১৯৪০ থেকেই শুরু ।
মেশিন কে কিভাবে মানুষের মত চিন্তা শক্তি’র ক্ষমতা দেয়া যায় সেটা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে কম্পিউটার আবিষ্কার হবার পূর্বেই , কম্পিউটার আবিষ্কার এর পর এই ক্ষেত্রের পরিধি শুধু বৃদ্ধি পেয়েছে।
একদম স্পেসিফিক টাইমলাইন যদি বলি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সেই গ্রিক সময় থেকেই আছে!
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে’র পর পরই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর কাজ শুরু হয় । ইংরেজ গণিতবিদ Alan Turing ১৯৪৭ সালে সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে বক্তব্য দেন । মুটোমুটি ওই সময় থেকেই বিজ্ঞানি গণ নিজ উদ্যোগ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কেন গুরুত্বপূর্ণ?

২০১২ সালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গবেষনায় বিনিয়োগ হয়েছে ৫৮৯ মিলিয়ন ডলার।

২০১৩ সালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গবেষনায় বিনিয়োগ হয়েছে ১০৩৯ মিলিয়ন ডলার।

২০১৪ সালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গবেষনায় বিনিয়োগ হয়েছে ২৬৭৭ মিলিয়ন ডলার।

২০১৫ সালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গবেষনায় বিনিয়োগ হয়েছে ৩১২৫ মিলিয়ন ডলার।

২০১৬ সালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গবেষনায় বিনিয়োগ হয়েছে ৫০৫২ মিলিয়ন ডলার।

২০১৭ সালে এই ইনভেস্টমেন্ট ৩০০% বৃদ্ধি পাবে ২০১৬ থেকে !
ইনভেস্টমেন্টের পরিমানই ধারনা দিয়ে দেয় এর গুরুত্ত্ব।

গুগল , অ্যাপল, মাইক্রোসফট থেকে শুরু করে বিশ্বের ছোট বড় সব কোম্পানিই নিজেদেরকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলজেন্স এর মত করে নতুন করে সাজাচ্ছে । এ থেকেই বুঝা যায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গুরুত্ব কত খানি ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি কি জিনিষের সমষ্টি?
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অনেক গুলো সাব সেট রয়েছে , অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অনেক গুলো জটিল বিষয়ের সমষ্টি ।যেমন,

Machine Learning
Natural Language Processing (NLP)
Speech
Expert Systems
Planning, Scheduling & Optimization
Robotics

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গুরুত্ত্বপূর্ণ একটা সাব সেট মেশিন লার্নিং।
মেশিন লার্নিং এর আরো ২টা সাব সেট হচ্ছে Deep learning এবং Predictive analytics.

১৯৮০ পর্যন্ত মানুষের ধারনা Artificial Intelligence পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল।
১৯৮০ এর পর ধারনা আসল Machine learning এর।
২০১০ এর পঅর মানুষের ধারনা আরো গভীরে Deep Learning এ পৌছে গিয়েছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিভাবে এবং কোথায় শিখবো?

Discrete Math — যে কোন প্রোগ্রাম্মিং এর জন্যই এটা জানা থাকা দরকার ।

Multi-variable Calculus (Calc 3) — মেশিন অপ্টিমাইজেশন এ বেশ কাজে লাগে ।

Differential Equations (Calc 4) — রোবোটিক্স এ যাদের নেশা তাদের জন্য , বিশেষ করে মোশন কন্ট্রোল এ ম্যাথমেটিক্স এর এই পার্ট জরুরি ।

Linear Algebra — নিউরাল নেটওয়ার্ক , মিস দেয়ার উপায় নাই!
Probability and Statistics — ডাটা সায়েন্স!

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সরঞ্জামঃ

প্রযুক্তির সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেন্ডিং বিষয় নিঃসন্দেহে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।সবচেয়ে বেশি বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, স্মার্টফোনকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তির অন্তর্ভুক্ত করার প্রতি ক্রমাগত চেষ্টা করছেন। তারা এই ক্ষেত্রের গবেষণায় কঠোর পরিশ্রম করছে। মানুষ আজকাল তাদের জীবন সহজ এবং আরামদায়ক করার জন্য উপায় খুঁজে বের করা হয় তা হল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সরঞ্জাম ।

এআই অ্যালগোরিদম নির্মাণের জন্য এখানে সরঞ্জাম রয়েছে।

১. Caffe

২. Api.ai

৩. TensorFlow

৪. Mahout

৫. OpenNN

আমাদের জানা উচিত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কীভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে:

যদিও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর Limitations গুলো এখন ও সব টা Identify করা হয়নি , তবুও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইতিমধ্যে অনেক ব্যবহার রয়েছে, যেমন

  • Email filtering : ইমেইল পরিষেবাগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ইমেলগুলি ফিল্টারের মাধধমে “স্প্যাম” হিসাবে ইমেলগুলি চিহ্নিত করে তাদের স্প্যাম ফিল্টারগুলি প্রশিক্ষণ দিতে পারে।
  • Personalization: অনলাইন পরিষেবা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে মানুষের প্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তুর Record করার জন্য আগের কেনাকাটা এবং অন্যান্য ব্যবহারকারীদের কেনাকাটার থেকে বুঝতে A ব্যবহার করছে , যেমন Amazon বা Netflix।
  • Fraud detection : কারো অ্যাকাউন্টে অদ্ভুত কার্যকলাপ থাকলে ব্যাংকগুলি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে তার প্রমাণ খুঁজে বের করছে। অপ্রত্যাশিত কার্যকলাপ, যেমন বিদেশী লেনদেন, এলগরিদম ব্যবহার করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে কাজে লাগিয়ে বন্ধ করছে ।
  • Speech recognition :আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যাপ্লিকেশন মানুষের কথা ও নির্ভুল ভাবে উপস্থাপন করছে। উদাহরণ হিসেবে আমরা intelligent personal assistants, যেমন আমাজন এর “আলেক্সা” বা অ্যাপল এর “সিরীয়” এর কথা মনে করতে পারি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ভবিষ্যৎঃ

১. মউর বলেন, সিএমইউ আরও কিছু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অঞ্চলে দখলের চেষ্টা করছে যা নিকটবর্তী ভবিষ্যতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

২. Self Driving Cars ও আসিতেছে।। যা মানুষ এর চলাচল এর কষ্ট কমিয়ে দিবে।

৩. উন্নত Medical Care এবং Treatment নিয়ে আসিতেছে যার মাধ্যমে অনেক সহজে রোগ নির্ণয় করা যাবে এবং অনেক ভাল চিকিৎসা পাওয়া যাবে।

৪. “open up doors to future explorations.” — ভবিষ্যতে অনুসন্ধানের জন্য দরজা খুলুন।

উপসংহারঃ

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্রুততর গতিতে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এটি অনেক কার্যকারী মানুষ এর জন্য । এটি অনেক হেল্পফুল একটি অংশ বর্তমান এ যা ভাবতেই অবাক লাগে। এটি শিক্ষা খাতে,চিকিৎসা খাতে এবং গেইম এর খাতেও অনেক ভুমিকা রেখেছে।

“নতুন প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে আরও প্রযুক্তি প্রবণ হয়ে উঠুন” ।

error: